বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

চাঁদপুরের নদীকেন্দ্রে ইলিশের গবেষণা জোরদারকরণ প্রকল্প

প্রকল্পের নাম

চাঁদপুরস্থ নদী কেন্দ্রে ইলিশ গবেষণা উইং স্থাপন

প্রকল্প পরিচালকের নাম ও ছবি

মোঃ আবুল বাশার

প্রকল্প পরিচালকের কার্যালয়ঃ

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট,

নদী কেন্দ্র, চাঁদপুর

মোবা: ০১৭১৯-৮১৮১৮৭

ইমেইল: mabashar.bfri@gmail.com

প্রকল্প কোড ৫০০২

উদ্যোগী মন্ত্রণালয়

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়

বাস্তবায়নকারী সংস্থা

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট

প্রকল্প বাস্তবায়নকাল

জানুয়ারী ২০১৭ - জুন ২০২১

প্রকল্প ব্যয় (লক্ষ টাকা)

মোট                   জিওবি               প্রকল্প সাহায্য

৩৩৫৩.৯০          ৪৯৩০.৭২                 -

প্রকল্পের অর্থায়ন

জিওবি

প্রকল্প এলাকা

চাঁদপুর

প্রকল্পের উদ্দেশ্য

  • বাংলাদেশে সামুদ্রিক মৎস্য গবেষণার সক্ষমতা জোরদারকরণ।
  • বাংলাদেশে বঙ্গোপসাগরের মৎস্য সম্পদের ব্যবস্থাপনা কৌশল উদ্ভাবন।
  • বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক মৎস্য প্রজাতির প্রজনন ও চাষ প্রযুক্তি উদ্ভাবন।
  • বাংলাদেশে সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদের সঠিক ব্যবহারের লক্ষ্যে আহরণোত্তর পরিচর্যা কৌশল উদ্ভাবন।

প্রকল্পের পটভূমি

ইলিশ মাছ দেশের অর্থনীতি, কর্মসংসহান এবং আমিষ জাতীয় খাদ্য সরবরাহে আবহমানকাল হতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। সাম্প্রতিক কালে রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মূদ্রা অর্জন এবং দেশের দারিদ্র বিমোচনেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ইলিশ আমাদের   ‘জাতীয় মাছ’ একক প্রজাতি হিসেবে সর্ববৃহৎ এবং সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ।

দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশ মাছের অবদান প্রায় ১৩.৪%। বার্ষিক গড় উৎপাদন প্রায় ২.০ (দুই) লক্ষ মেঃ টন এবং মূল্য ৪,০০০ হাজার কোটি টাকা। জিডিপিতে ইলিশ মাছের অবদান শতকরা ১ ভাগেরও বেশী। প্রায় ৪-৫ লক্ষ জেলে পূর্ণ অথবা খন্ডকালীনভাবে ইলিশ আহরণে নিয়োজিত। পরিবহন, পাইকারি বিক্রয়, খুচরা বিক্রয়, জাল-নৌকা তৈরী, বরফ উৎপাদন, বরফ দেয়া, প্যাকেজিং, প্রক্রিয়াজাতকরণ, বিদেশে রপ্তানি ইত্যাদি কাজে প্রায় ২০-২৫ লক্ষ লোক প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কর্মসংসহানের জন্য এ মাছের উপর নির্ভরশীল।

 


Share with :

Share with :

Facebook Facebook